আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ১৮৩ - ১[ উপকর কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণ ]
২[(১) উপকর কমিশনার, এই ধারার অধীন, সংশ্লিষ্ট রিটার্ন, দলিলাদি বা এই আইনের অন্য কোনো বিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে প্রদেয় কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন, যদি—
(ক) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭০ক এর উপ-ধারা (৪) অথবা উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী তার রিটার্নটি উপকর কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণের জন্য দাখিল করেন বা কর নির্ধারণের জন্য দাখিল বলিয়া গণ্য হয়;
(খ) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭৪ এর অধীন বিলম্ব রিটার্ন দাখিল করেন;
(গ) কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ব্যতীত, দফা (খ), (গ), (ঘ) ও (ঙ) অনুযায়ী সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করেন; ]
(২) ৩[***]
(৩) যেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার কোনো করদাতার কর নির্ধারণের জন্য করদাতার উপস্থিতি বা কোনো সাক্ষ্য প্রমাণাদির প্রয়োজন বিবেচনা করেন, সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উক্ত ব্যক্তিকে এই মর্মে নোটিশ প্রদান করিবেন যে, তাহাকে-
(ক) নোটিশে উল্লিখিত তারিখ এবং সময়ে, নিজে বা অনুমোদিত প্রতিনিধি দ্বারা, উপকর কমিশনারের সম্মুখে হাজির হইতে হইবে; অথবা
(খ) নোটিশে উল্লিখিত রিটার্নের সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দাখিল করিতে হইবে।
(৪) যেইক্ষেত্রে করদাতা উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রদত্ত নোটিশ পরিপালন করেন, সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার কর নির্ধারণ প্রক্রিয়া শুরু করিবেন।
৪[(৪ক) কর নির্ধারণ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে করদাতা সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করিলে উপকর কমিশনার উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শুনানির নোটিশ প্রদান করিবেন। ]
৫[(৫) উপকর কমিশনার করদাতার কর নির্ধারণকালে অধিকতর শুনানি বা প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য, প্রমাণ চাহিতে পারিবেন এবং সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার শুনানির নোটিশে চাহিত তথ্য-প্রমাণাদি সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ এবং পরিপালনে ব্যর্থতায় উদ্ভূত ফলাফলের বর্ণনা করিবেন। ]
(৫) উপকর কমিশনার করদাতার কর নির্ধারণ প্রক্রিয়াকালে অধিকতর শুনানি বা প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ চাহিতে পারিবেন এবং এইক্ষেত্রে নোটিশে সুনির্দিষ্টভাবে শুনানির বিষয়াদি উল্লেখসহ পরিপালনের ব্যর্থতায় উদ্ভূত ফলাফলের বর্ণনা উল্লেখ করিবেন।
(৬) উপকর কমিশনার শুনানির সুযোগ প্রদান ব্যতীত করদাতা কর্তৃক প্রদর্শিত কোনো ব্যয় অননুমোদন করিতে পারিবে না।
(৭) উপকর কমিশনার শুনানি অন্তে উপস্থাপিত সাক্ষ্য প্রমাণ বিবেচনাক্রমে লিখিতভাবে বা নির্দিষ্ট ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কর নির্ধারণী আদেশ প্রদান করিবেন এবং উক্ত আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত আদেশ করদাতাকে অবহিত করিবেন।
(৮) করদাতা উপ-ধারা (৩) বা (৫) এর অধীন প্রদত্ত নোটিশ পরিপালনে ব্যর্থ হইলে, উপকর কমিশনার ধারা ১৮৪ এর অধীন সর্বোত্তম বিচারভিত্তিক কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
১ অর্থ আইন, ২০২৪ এর ৬৯(ক) ধারাবলে “রিটার্নের ভিত্তিতে উপকর কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণ” এর পরিবর্তে “উপকর কমিশনার কর্তৃক কর নির্ধারণ” প্রতিস্থাপিত।
২ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১০৭(ক) ধারাবলে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[ (১) উপকর কমিশনার, এই ধারার অধীন, সংশ্লিষ্ট রিটার্ন, দলিলাদি বা এই আইনের অন্য কোনো বিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে প্রদেয় আয়কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন, যথা : –
(ক) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত কোনো রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন ধারা ১৭৫ এর অধীন সাধারণ রিটার্ন হিসাবে গণ্য হইলে; বা
(খ) [***]
(গ) [***]
(ঘ) কোনো ব্যক্তি এই আইনের কোনো বিধান অনুযায়ী আয়কর পরিশোধের যোগ্য হইলে। ]
৩ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ১০৪(খ) ধারাবলে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) বিলুপ্ত।
[ (২) যেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার সন্তুষ্ট হন যে, করদাতার কর নির্ধারণ বা করদায় পরিগণনা করিবার জন্য করদাতার উপস্থিতি বা কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ প্রয়োজন নাই, সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্নের ভিত্তিতে, নিম্নবর্ণিত শর্তাবলির পরিপালন সাপেক্ষে, উক্ত করদাতার কর নির্ধারণ করিবেন, যথা:-
(ক) উক্ত রিটার্ন ধারা ১৭১ এ উল্লিখিত তারিখে বা পূর্বে দাখিল করিতে হইবে;
(খ) প্রদেয় কর রিটার্ন দাখিলের তারিখে বা তাহার পূর্বে পরিশোধ করিতে হইবে;
(গ) উক্ত রিটার্নে কোনো ক্ষতি বা সর্বশেষ নিরূপিত আয় হইতে কম আয় প্রদর্শন করা হয় নাই;
(ঘ) উক্ত রিটার্নের ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা হইলে উহার ফলশ্রুতিতে কোনো কর প্রত্যর্পণ করিতে হইবে না; এবং
(ঙ) উক্ত রিটার্নে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর উল্লেখ করা হইলে। ]
৪ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১০৭(খ) ধারাবলে উপ-ধারা (৪) এর পর নূতন উপ-ধারা (৪ক) সন্নিবেশিত।
৫ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১০৭(গ) ধারাবলে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[ (৫) উপকর কমিশনার করদাতার কর নির্ধারণ প্রক্রিয়াকালে অধিকতর শুনানি বা প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ চাহিতে পারিবেন এবং এইক্ষেত্রে নোটিশে সুনির্দিষ্টভাবে শুনানির বিষয়াদি উল্লেখসহ পরিপালনের ব্যর্থতায় উদ্ভূত ফলাফলের বর্ণনা উল্লেখ করিবেন। ]
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।