Table of Contents
Toggleভূমিকা – বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড়
কর প্রদান একটি নাগরিক দায়িত্ব, কিন্তু কর সাশ্রয় করা একটি স্মার্ট সিদ্ধান্ত বা বুদ্ধিমানের কাজ। বাংলাদেশে, আয়কর আইন ২০২৩ অনুসারে করদাতারা নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড় পাওয়া যায়। এই বিনিয়োগসমূহ কেবল কর কমাতে সহায়তা করে না, বরং ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে।
যদি আপনি আইনানুগভাবে আপনার করের বোঝা কমাতে চান, তবে এই লিখায় আপনি পাবেন আয়কর আইন ২০২৩ এর ষষ্ঠ তফসিলের ৩য় অংশে উল্লিখিত অনুমোদিত কর সাশ্রয়ী বিনিয়োগসমূহের বিস্তারিত তালিকা।
কেন কর ছাড়ের জন্য বিনিয়োগ করবেন?
কর রেয়াত বলতে কর কমানো বা কম কর দেয়াকে বোঝায়। প্রতি বছর জুলাই থেকে পরের বছরের জুন পর্যন্ত এই ১২ মাসের আয়ের ওপর কর বসে। এই সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ করলে কর রেয়াত পাওয়া যায়। বিনিয়োগ বা দান হল কর রেয়াতের বৈধ উপায়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অনুমোদিত নির্ধারিত কয়েকটি খাতে বিনিয়োগ এবং দানে উৎসাহিত করার জন্য সরকার ওই সমস্ত বিনিয়োগ এবং দানের উপর করছাড় দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে করের পরিমাণ বহুলাংশে কমানো যায়।
করদাতারা সাধারণত বৈধভাবে করের বোঝা হ্রাসের উপায় খোঁজেন। এর মধ্যে অন্যতম কার্যকর পদ্ধতি হলো আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ৭৮ অনুযায়ী বিনিয়োগ কর রেয়াত গ্রহণ করা। এই সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। এছাড়াও, নির্দিষ্ট কিছু খাতে দান করেও আপনি কর ছাড় পেতে পারেন।
এই পোস্টে আপনি জানতে পারবেন আয়কর আইন ২০২৩ এর ষষ্ঠ তফসিলের ৩য় অংশে উল্লেখিত কর রেয়াত উপযোগী বিনিয়োগের খাতগুলো সম্পর্কে।
বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড় পাওয়ার জন্য উপযুক্ত বিনিয়োগ খাতসমূহ
✅ ১. জীবন বীমা প্রিমিয়াম
নিজের, স্ত্রী/স্বামী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের জন্য জীবন বীমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করলে, পরিশোধিত বীমা প্রিমিয়ামের উপর কর ছাড় পাওয়া যায়। তবে এইখানে কর ছাড় পাওয়ার জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ হিসেবে মোট বীমা অঙ্কের ১০% পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(১), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ২. সঞ্চয়পত্র (Shanchaypatra)
বাংলাদেশে বিনিয়োগের আরেকটি প্রচলিত খাত হল সঞ্চয়পত্র। এটি একটি নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। নিরাপদ সঞ্চয় এবং মুনাফার হার বেশি থাকায় সব ধরনের বিনিয়োগকারীর নিকট এটি খুবই জনপ্রিয়। সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কর ছাড় পাওয়ার জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়। সঞ্চয়পত্র যেহেতু বাংলাদেশ সরকার ইস্যু করে থাকে, তাই মেয়াদ শেষে মুনাফাসহ বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৭)(ক), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৩. ডিপোজিট পেনশন স্কিম (DPS)
বিনিয়োগের জন্য ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস একটি জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এই স্কিমে, প্রতিমাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা দিয়ে নির্দিষ্ট সময় পরে একটি উল্লেখযোগ্য অঙ্কের সঞ্চয় তৈরি করা যায়।
বর্তমানে ডিপিএসে বার্ষিক সর্বোচ্চ বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১,২০,০০০ টাকা। অর্থাৎ, কেউ যদি প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিপিএস করেন, তাহলে বছরের শেষে তার মোট জমা ১,২০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর রেয়াতের আওতায় আসবে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৭)(গ), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৪. পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ (Capital Market)
পুঁজিবাজারে বা শেয়ার মার্কেটে যেকোনো পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা অনুমোদিত বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য হয়। আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারিত নেই, অর্থাৎ আপনি ইচ্ছামতো যেকোনো পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও, মনে রাখবেন যে প্রাইমারি (Primary market – IPO) অথবা সেকেন্ডারি (Secondary Market) মার্কেটে বিনিয়োগ – উভয় ধরণের শেয়ারে বিনিয়োগ করলেই বিনিয়োগ কর রেয়াত পাওয়া যায়। এছাড়াও, আয়কর আইন ২০২৩ এর ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ১ এর দফা ৩৬ অনুযায়ী শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত আয় ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত “মূলধনী লাভ (Capital Gain)” হিসেবে করমুক্ত। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৮), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৫. সরকারি ট্রেজারি বিল, বন্ড ও ডিবেঞ্চার
সরকারি ট্রেজারি বিল, বন্ড ও ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ করলেও কর ছাড় পাওয়া যায়। তবে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ কর ছাড় পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, ট্রেজারি বন্ডের ক্ষেত্রে কর রেয়াতের সর্বোচ্চ সীমা পাঁচ লাখ টাকা। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৭)(ক), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৬. সুকুক (SUKUK) বন্ড ও শরীয়াহ্ সম্মত সিকিউরিটিজ
যারা সুদবিহীন বিনিয়োগ চান, তাদের জন্য সুকুক বন্ড (শরীয়াহ-সম্মত বন্ড) হতে পারে আদর্শ চয়েস। সুদভিত্তিক বিনিয়োগ বাদ দিয়ে ইসলামিক ফাইন্যান্স মেনে চলতে চাইলে সুকুক বন্ড (ইসলামি শরীয়াহ্ ভিত্তিক বন্ড) হতে পারে আপনার জন্য আদর্শ বিনিয়োগ মাধ্যম। সুকুক বন্ড যদি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) কর্তৃক তালিকাভুক্ত হয় তাহলে কর ছাড় পাওয়ার জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হবে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৮), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৭. ইউনিট সার্টিফিকেট, মিউচুয়াল ফান্ড ও ETF
মিউচুয়াল ফান্ড, ইউনিট ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ করলে কর ছাড় পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে কর রেয়াতের সর্বোচ্চ সীমা পাঁচ লাখ টাকা। অর্থাৎ, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ কর ছাড় পাওয়ার জন্য অনুমোদনযোগ্য বিনিয়োগ। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৭)(খ), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৮. তালিকাভুক্ত বন্ড ও ডিবেঞ্চার
আরেকটি বিনিয়োগ মাধ্যম হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (BSEC) তালিকাভুক্ত বন্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ করা। এই ধরনের বিনিয়োগের সবচেয়ে ভালো দিক হল এতে বিনিয়োগের কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই। এসব ইনস্ট্রুমেন্টে দ্বৈত (double) বিনিয়োগ সুবিধা রয়েছে – (১) যথা সময়ের সাথে সাথে স্থির (fixed) সুদের আয় এবং (২) যদি বেশি দামে বিক্রি করা হয়, তাহলে মূলধনী লাভের সম্ভাবনাও থাকে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৮), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ৯. ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম
ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিমে বিনিয়োগ করলে আপনি কর ছাড়ের জন্য যোগ্য হবেন। ৩১ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জারিকৃত এসআরও নং ২৯৫-আইন/আয়কর-১৭-২০২৩ অনুযায়ী, আপনি এই স্কিমে যেকোনো পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে তার উপর কর ছাড় পাবেন।
ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিমে বিনিয়োগ এর ভালো দিক হল এতে কোনো বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নেই। আপনি ইচ্ছেমতো টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন। এই বিনিয়োগ একদিকে আপনাকে নিরাপদ অবসর নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে আপনাকে কর সাশ্রয়ের সুযোগও করে দিবে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৭)(ঘ), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ১০. স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড (RPF)
চাকরির বেতনের বাইরে আরও যেসব আর্থিক সুবিধাদি থাকে তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রভিডেন্ট ফান্ড। সাধারণত প্রতিমাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ কর্তন করে রাখা হয়। যা পরবর্তীতে প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করা হয়। প্রতিমাসে কর্তনকৃত যে পরিমাণ টাকা ফান্ডে জমা হবে, ঠিক সমপরিমাণ অর্থ চাকরিদাতা ওই ব্যক্তির নামে ওই প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা দেবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক অনুমোদিত প্রভিডেন্ট ফান্ড (RPF) এ নিয়োগকর্তা ও কর্মচারী উভয়ের দান (contribution) কর ছাড় পাওয়ার জন্য উপযুক্ত বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হবে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৫), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ১১. জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF)
জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য। জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রদত্ত চাঁদা কর কর ছাড় পাওয়ার জন্য উপযুক্ত বিনিয়োগের আওতাভুক্ত। এই ধরনের চাঁদা আয়কর আইন অনুযায়ী কর ছাড়ের আওতাভুক্ত, যার ফলে আপনার সঞ্চয় যেমন বাড়বে, তেমনি করও সাশ্রয় হবে। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৪), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ১২. অনুমোদিত বার্ধক্য তহবিলে (সুপারঅ্যানুয়েশন ফান্ড) চাঁদা
অনুমোদিত কোনো বার্ধক্য তহবিলে করদাতা অংশগ্রহণকারী হইলে, উক্ত তহবিলে করদাতা কর্তৃক বার্ষিক সাধারণ চাঁদা হিসাবে পরিশোধকৃত অর্থের উপর কর ছাড় পাওয়া যায়। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(৬), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
✅ ১৩. কল্যাণ তহবিলে প্রদত্ত অর্থ অথবা যৌথ বিমা স্কিমের প্রিমিয়াম
স্ত্রী, সন্তান বা নির্ভরশীল অন্য কারো সুবিধা প্রতিবিধানার্থে কল্যাণ তহবিলে প্রদত্ত অর্থ অথবা যৌথ বিমা স্কিমের অধীন কোনো প্রিমিয়াম বাবদ পরিশোধিত অর্থ যদি এইরুপ তহবিল অথবা স্কিম বোর্ড কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে অনুমোদিত হয় তাহলে তা কর ছাড় পাওয়ার জন্য উপযুক্ত বিনিয়োগের আওতাভুক্ত। [ সূত্র: অনুচ্ছেদ ২(১২), তৃতীয় অংশ, ষষ্ঠ তফসিল ]
বিনিয়োগের বিকল্প - দানের উপর কর ছাড়
সরাসরি বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে, আপনি আপনার আয়ের একটি অংশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক স্বীকৃত কোন খাতে দানও করতে পারেন। ২০২৩ সালের আয়কর আইনের ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ৩ অনুযায়ী, নিচে উল্লেখিত খাতে দান করলে তা বিনিয়োগ কর ছাড়ের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেঃ
- অনুমোদিত দাতব্য সংস্থা;
- অনুমোদিত হাসপাতাল;
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা;
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান;
আপনি কি অনুমোদিত দানের খাতগুলোর একটি প্রস্তুত চাইছেন? অনুগ্রহ করে নিম্নোক্ত স্বীকৃত এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানে দান করার কথা বিবেচনা করুন—এসব দান আয়কর আইনের অধীনে বিনিয়োগ কর ছাড়ের জন্য যোগ্য:
- যাকাত ফান্ডে দান;
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে (Liberation War Museum) দান;
- CRP, সাভারে দান;
- আহসানিয়া ক্যানসার হাসপাতালে দান;
- ICDDR,B-তে দান;
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে দান;
- ঢাকা আহসানিয়া মিশন ক্যানসার হাসপাতালে দান;
- Centre for Zakat Management (CZM) এ দান;
- বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনে দান;
- মাস্তুল ফাউন্ডেশনে দান;
- এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ;
- ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এ দান;
- রোগীকল্যাণ সমিতি এ দান;
- বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থা এ দান;
- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্ৰ এ;
- ঢাকা আহছানিয়া মিশন এ দান;
- Palliative Care Society of Bangladesh (PCSB) এ দান;
- আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশন এ দান;
এসব প্রতিষ্ঠানে দান করলে আপনি একদিকে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন, অন্যদিকে কর ছাড়ের সুবিধাও পাবেন।
উপসংহার – বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড়
কর সাশ্রয়ী বিনিয়োগ কেবল একটি আর্থিক কৌশল নয়—এটি ভবিষ্যতের পরিকল্পনার একটি অংশ। আপনি যদি ঝুঁকি-সচেতন অথবা প্রবৃদ্ধি-ভিত্তিক বিনিয়োগকারী হন, উভয় ক্ষেত্রেই আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী আপনি উপযুক্ত খাতে বিনিয়োগ করতে পাবেন। আপনি আপনার পছন্দ ও আর্থিক লক্ষ্য অনুযায়ী যেকোনো অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড় পেতে পারেন।
বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড় - উৎস / রেফারেন্সঃ
Share on –

