উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তন ও আদায় বিধিমালা ২০২৫
বিধি ২ – সংজ্ঞা
(১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায়—
(ক) “আইন” অর্থ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪৭ নং আইন);
(খ) “উৎসে কর্তনকারী সত্তা” অর্থ কোনো সরকার বা উহার কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বা দপ্তর, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্বশাসিত কোনো সংস্থা, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, পরিষদ বা অনুরূপ কোনো সংস্থা, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো বা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কোনো ব্যাংক, বীমা কোম্পানি বা অনুরূপ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মাধ্যমিক বা তদূর্ধ্ব পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোনো লিমিটেড কোম্পানি এবং দশ কোটি টাকার অধিক বার্ষিক টার্নভারযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বুঝাইবে;
(গ) “পণ” অর্থ আইনের ধারা ২ এর দফা (৫৯) এ সংজ্ঞায়িত পণ;
(ঘ) “ফরম” অর্থ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি ২ এর দফা (জ) এ সংজ্ঞায়িত ফরম;
(ঙ) “বোর্ড” অর্থ National Board of Revenue Order, 1972 (P. O No. 76 of 1972) এর অধীন গঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড; এবং
(চ) “যোগানদার” অর্থ কোটেশন বা দরপত্র বা কার্যাদেশ বা অন্যবিধভাবে কোনো উৎসে কর্তনকারী সত্তার নিকট পণের বিনিময়ে আইনের প্রথম তফসিল দ্বারা অব্যাহতিপ্রাপ্ত সরবরাহ ব্যতীত অন্য যে কোনো পণ্য বা সেবা বা উভয়ই সরবরাহ করেন এমন কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা।
(২) এই বিধিমালায় ব্যবহৃত যে সকল শব্দ বা অভিব্যক্তির সংজ্ঞা প্রদান করা হয় নাই, সেই সকল শব্দ বা অভিব্যক্তি আইন এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এ যেই অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে প্রযোজ্য হইবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।