মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২
ধারা ১২৪ - হাইকোর্ট বিভাগে ১ [আপিল]
(১) বোর্ড বা ২[আপিল ট্রাইব্যুনালের] আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা কমিশনার বা মহাপরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নহেন, এমন কোন মূসক কর্মকর্তা, উক্ত আদেশের আইনগত প্রশ্নে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৩[আপিলের] আবেদন দাখিল করিতে পারিবেন।
(২) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত ৪[আপিলের] বিষয়ে, যতদূর সম্ভব দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগে ৫[আপিলের] আবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে, তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হইবে।
(৪) মূসক কর্মকর্তা ব্যতীত, অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উপ-ধারা (১) এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগে ৬[আপিলের] আবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে, তাহাকে তর্কিত আদেশে উল্লিখিত প্রদেয় ৭[করের, জরিমানা ব্যতীত,] ১০ (দশ) শতাংশ অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।
১ অর্থ আইন, ২০২১ এর ৫৬(ক) ধারাবলে “রিভিশন” শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
২ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ২৩ ধারাবলে “আপীলাত ট্রাইব্যুনালের” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিল ট্রাইব্যুনালের” শব্দুগলি প্রতিস্থাপিত।
৩ অর্থ আইন, ২০২১ এর ৫৬(খ) ধারাবলে “রিভিশনের” শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
৪ অর্থ আইন, ২০২১ এর ৫৬(খ) ধারাবলে “রিভিশনের” শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
৫ অর্থ আইন, ২০২১ এর ৫৬(খ) ধারাবলে “রিভিশনের” শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
৬ অর্থ আইন, ২০২১ এর ৫৬(খ) ধারাবলে “রিভিশনের” শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
৭ অর্থ আইন, ২০২২ এর ৭৮(খ) ধারাবলে “করের বা জরিমানার” শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।