আয়কর আইন ২০২৩
সপ্তম তফসিল - বিশেষ করহার [ধারা ১৮ দ্রষ্টাব্য]
১[১। এই আইনের অধীন “মূলধনি আয়” হিসাবে পরিগণিত হয় ২[এইরূপ আয়ের উপর] নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে, যথা:-
(ক) কোম্পানি, ৩[ব্যক্তিসংঘ] ও ট্রাস্ট কর্তৃক অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);
(খ) কোম্পানি, ৩[ব্যক্তিসংঘ] ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হইতে অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);
(গ) কোম্পানি, ৩[ব্যক্তিসংঘ] ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হইতে অর্জিত মূলধনি আয় ব্যতীত, অন্যান্য মূলধনি আয়ের ক্ষেত্রে-
(অ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয় মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হইবে এবং মোট আয়ের উপর নিয়মিত হার;
(আ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির পাঁচ বৎসর অতিক্রান্ত হইবার পর পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয়ের ১৫% (পনেরো শতাংশ)।
(ঘ) দফা (ক) ও (গ) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো জমি বা জমিসহ স্থাপনা হস্তান্তরকালে দলিল মূল্যের অতিরিক্ত কোনো অর্থ গৃহীত হইলে উক্ত গৃহীত অতিরিক্ত অর্থ মূলধনী আয় হিসাবে গণ্য হইবে এবং এইরূপ মূলধনী আয়ের উপর এই তফসিলের অনুচ্ছেদ ১ এর করহার অনুসারে কর প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, দলিল মূল্যের অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ ব্যাংক বিবরণীসহ দালিলিক প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থিত হইতে হইবে।
৪[(ঙ) ব্যবসায়িক পণ্য নহে এইরূপ ব্যক্তিগত স্বর্ণ, রৌপ্য, স্বর্ণালংকার, রৌপ্যালংকার, রত্ন-হীরক, ধাতব মুদ্রা ও মূল্যবান ধাতু বিক্রয় হতে প্রাপ্ত মূলধনী আয়ের উপর ৫% (পাঁচ শতাংশ)। ] ]
৫[২। ধারা ২ এর দফা (৮১) এ সংজ্ঞায়িত “লভ্যাংশ” হিসাবে পরিগণিত হয় এইরূপ আয় নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে, যথা:-
(ক) স্বাভাবিক ব্যক্তি কর্তৃক অর্জিত লভ্যাংশের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);
(খ) স্বাভাবিক ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য করদাতা কর্তৃক অর্জিত লভ্যাংশের উপর ২০% (বিশ শতাংশ)। ]
৩। লটারি, শব্দজট, কার্ড গেইম, অনলাইন গেইম অথবা এইরূপ যেকোনো প্রকৃতির খেলায় জয় লাভ করিয়া কোনো অর্থ প্রাপ্ত হইলে এইরূপ প্রাপ্তির উপর ২৫% (পঁচিশ শতাংশ) হারে করারোপিত হইবে।
৪। ৬[*** ]
১ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ১৩৫(ক) ধারাবলে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (১) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[ ১। এই আইনের অধীন “মূলধনি আয়” হিসাবে পরিগণিত হয় এইরুপ আয় নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে –
(ক) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট কর্তৃক অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);
(খ) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের ক্ষেত্রে-
(অ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয় মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হইবে এবং মোট আয়ের উপর নিয়মিত হার;এর দফা (ঘ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঙ) সন্নিবেশিত
(আ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির পাঁচ বংসর অতিক্রান্ত হইবার পর পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয়ের ১৫% (পনেরো শতাংশ)। ]
২ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৫৮(ক)(অ) ধারাবলে অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত “এইরূপ আয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “এইরূপ আয়ের উপর” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত।
৩ অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ১০ ধারাবলে সপ্তম তফসিলের সর্বত্র উল্লিখিত “তহবিল” শব্দের পরিবর্তে “ব্যক্তিসংঘ” শব্দ প্রতিস্থাপিত।
৪ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৫৮(ক)(আ) ধারাবলে অনুচ্ছেদ (১) এর দফা (ঘ) এর পর নূতন দফা (ঙ) সন্নিবেশিত।
৫ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৫৮(খ) ধারাবলে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (২) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[ ২। ধারা ২ এর দফা (৮১) এ সংজ্ঞায়িত “লভ্যাংশ” হিসাবে পরিগণিত হয় এইরূপ আয় নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে-
(ক) কোম্পানি কর্তৃক অর্জিত লভ্যাংশের উপর ২০% (বিশ শতাংশ);
(খ) কোম্পানি ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের ক্ষেত্রে এইরূপ লভ্যাংশ মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হইবে এবং মোট আয়ের উপর নিয়মিত হার। ]
৬ অর্থ আইন, ২০২৪ এর ৮৬(খ) ধারাবলে সপ্তম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩ এর পর নিম্নরূপ নূতন অনুচ্ছেদ ৪ সন্নিবেশিত হয়। পরবর্তীতে অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ১৩৫(খ) ধারাবলে উক্ত সন্নিবেশিত অনুচ্ছেদ ৪ বিলুপ্ত।
[ ৪। ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য নহে এইরূপ কোনো কোম্পানি কর্তৃক প্রাপ্ত যেকোনো প্রকারের গ্রস আয়ের উপর ২০% (বিশ শতাংশ) হারে করারোপিত হইবে এবং বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত লিখিত আদেশে উল্লিখিত পদ্ধতিতে পরিশোধিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(১) নিম্নবর্ণিত আয়সমূহ উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না, যথা:–
(ক) করমুক্ত কোনো আয়;
(খ) কোনো দান বা অনুদান;
(গ) কোনো প্রকারের কর, খাজনা ও শুল্ক;
(২) বাংলাদেশে স্থায়ী স্থাপনা নেই এইরূপ কোম্পানির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না। ]
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।