আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ২ দফা ৯২ - স্থায়ী স্থাপনা (permanent establishment)
“স্থায়ী স্থাপনা (permanent establishment)” অর্থ ১[বাংলাদেশের সহিত অন্যান্য দেশের সম্পাদিত দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (Double Taxation Avoidance Agreement, DTAA) এর শর্ত অক্ষুণ্ণ রাখিয়া ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়ের ক্ষেত্রে, ব্যবসা বা পেশার সেইরূপ নির্দিষ্ট স্থান বা কার্যক্রম যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির উক্তরূপ ব্যবসা বা পেশা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিচালিত হয়,] এবং ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে-
(ক) ব্যবস্থাপনার কোনো স্থান;
(খ) কোনো শাখা;
(গ) কোনো এজেন্সি;
(ঘ) কোনো অফিস;
(ঙ) কোনো গুদাম;
(চ) কোনো কারখানা;
২[(ছ) কোনো ওয়ার্কশপ (workshop); ]
(জ) কোনো খনি, তৈল অথবা গ্যাসকূপ, ভূ-গর্ভস্থ খাদ অথবা প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন বা আহরণের জন্য অন্য কোনো স্থান;
(ঝ) কোনো খামার বা বৃক্ষায়ন;
(ঞ) কোনো নির্মাণ স্থান, কোনো নির্মাণ, স্থাপন বা সংযোজন প্রকল্প বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো তদারকি কার্যক্রম;
(ট) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বা উক্ত ব্যক্তির দ্বারা এই উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কোনো জনবল কর্তৃক কনসালটেন্সি সেবাসহ কোনো সেবা প্রদান, যদি উক্তরূপ কার্যক্রম বাংলাদেশে (একই কাজে বা উক্ত কাজের সহিত সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কাজে) অব্যাহতভাবে চলে; এবং
(ঠ) কোনো অনিবাসী ব্যক্তির সহযোগী সত্তা বা উক্ত অনিবাসী ব্যক্তির উপর বাণিজ্যিকভাবে নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি যিনি অনিবাসী ব্যক্তির বাংলাদেশে সম্পাদিত কোনো বিক্রয়ের সহিত সংশ্লিষ্ট কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করেন;
৩[(ড) কোনো অনিবাসী সত্তার বাংলাদেশে “ডিজিটাল” বা “অনলাইন” কার্যক্রম বা উপস্থিতি, যদি উক্ত সত্তার ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) বা তদূর্ধ্ব, ডিজিটাল বা অনলাইন গ্রাহক বা সাবস্ক্রাইবার থাকে; ]
১ অর্থ আইন, ২০২৬ এর (২৩)(ফ)(অ) ধারাবলে “ব্যবসা আয়ের ক্ষেত্রে, ব্যবসার সেইরূপ নির্দিষ্ট স্থান বা কার্যক্রম যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির উক্তরূপ ব্যবসা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিচালিত হয়,” শব্দগুলি ও কমাগুলির পরিবর্তে “বাংলাদেশের সহিত অন্যান্য দেশের সম্পাদিত দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (Double Taxation Avoidance Agreement, DTAA) এর শর্ত অক্ষুণ্ণ রাখিয়া ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়ের ক্ষেত্রে, ব্যবসা বা পেশার সেইরূপ নির্দিষ্ট স্থান বা কার্যক্রম যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির উক্তরূপ ব্যবসা বা পেশা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিচালিত হয়,” শব্দগুলি, কমাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত।
২ অর্থ আইন, ২০২৬ এর (২৩)(ফ)(আ) ধারাবলে নিম্নরূপ উপ-দফা (ছ) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[ (ছ) কোনো কর্মশিবির; ]
৩ অর্থ আইন, ২০২৬ এর (২৩)(ফ)(ই) ধারাবলে উপ-দফা (ঠ) এর পর নূতন উপ-দফা (ড) সন্নিবেশিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।