আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ৭৪ - দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি
(১) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ‘‘ব্যবসা ১[বা পেশা] হইতে আয়’’ শ্রেণিভুক্ত এবং গণনাকৃত আয়ের জন্য উপচিত ১[(accrual)] হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করেন, সেইক্ষেত্রে কোনো আয়বর্ষে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি হইতে উদ্ভূত আয় সম্পাদনের শতাংশ পদ্ধতি অনুসারে গণনা করিতে হইবে।
(২) কোনো করবর্ষে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সম্পাদনের শতাংশ, উক্ত করবর্ষ শেষ হইবার পূর্বে চুক্তিতে মোট বরাদ্দকৃত ব্যয় এবং সংঘটিত খরচের সহিত চুক্তির শুরুতে নির্ধারিত আনুমানিক মোট চুক্তিব্যয়ের মধ্যে তুলনার মাধ্যমে নির্ধারিত হইবে।
(৩) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,-
(ক) “দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি” অর্থ উৎপাদন, স্থাপন, বা নির্মাণ সংক্রান্ত চুক্তি, বা এতৎসংক্রান্ত প্রতিটি চুক্তি সম্পর্কিত পরিষেবা সমূহের সম্পাদন, যাহা চুক্তির অধীন কাজ আরম্ভ হইবার ২[বৎসরের] মধ্যে সম্পন্ন হয় নাই, তবে চুক্তির অধীন কাজ শুরু হইবার দিন হইতে আনুমানিক ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে শেষ হইবে এইরূপ চুক্তি ব্যতীত অন্য সকল চুক্তি;
(খ) “সম্পাদনের শতাংশ পদ্ধতি” অর্থ সার্বজনীনভাবে গৃহীত হিসাবরক্ষণ নীতি যাহার অধীন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতাধীন রাজস্ব ও ব্যয় উপ-ধারা (২) এর অধীন সংশোধনকৃত চুক্তির সমাপ্তির পর্যায়ে স্বীকৃত হয়।
১ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ৬০ ধারাবলে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ব্যবসা” শব্দের পর “বা পেশা” শব্দগুলি এবং “উপচিত” শব্দের পর “(accrual)” শব্দ ও বন্ধনী সন্নিবেশিত।
২ অর্থ আইন, ২০২৪ এর ৩২ ধারাবলে “করবর্ষের” শব্দটির পরিবর্তে “বৎসরের” শব্দটি প্রতিস্থাপিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।