আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ৩৭ - মোট ভাড়ামূল্য ও ভাড়া হইতে আয় পরিগণনা
১[ (১) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির স্বীয় মালিকানাধীন কোনো গৃহসম্পত্তিসহ যেকোনো সম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:
অ = (আ + ই) – ঈ, যেখানে-
অ = মোট ভাড়ামূল্য,
আ = বার্ষিক মূল্য,
ই = ভাড়াটিয়া কর্তৃক পরিশোধিত যেকোনো সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন,
ঈ = শূন্যতা ভাতা যাহা কেবল বিদ্যুৎ বিল উপস্থাপন সাপেক্ষে অনুমোদনযোগ্য হইবে।
(২) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির স্বীয় মালিকানাধীন কোনো সম্পত্তির ভাড়া হইতে আয় নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:–
ক= (খ + গ), যেখানে-
ক = ভাড়া হইতে আয়,
খ = মোট ভাড়ামূল্য,
গ = ধারা ৩৯ এ উল্লিখিত বিশেষ ভাড়া হইতে আয়। ]
১ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ৩৫ ধারাবলে নিম্নরূপ ধারা ৩৭ এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[ ধারা ৩৭ – মোট ভাড়ামূল্য পরিগণনা
(১) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির স্বীয় মালিকানাধীন কোনো গৃহসম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:-
ক = (খ+গ+ঘ)-ঙ, যেখানে
ক = মোট ভাড়ামূল্য,
খ = গৃহসম্পত্তির বার্ষিক মূল্য,
গ = উক্ত আয়বর্ষে উক্ত গৃহসম্পত্তি ব্যবহার সূত্রে প্রাপ্ত সেলামী বা প্রিমিয়াম, ফেরতযোগ্য নিরাপত্তা জামানত, অগ্রিম ব্যতীত অন্য যেকোনো অংক বা কোনো সুবিধার অর্থমূল্য, যাহা খ এ উল্লিখিত অংকের অতিরিক্ত,
ঘ = গৃহসম্পত্তির ভাড়াটিয়া কর্তৃক পরিশোধিত যেকোনো প্রকারের সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ বা অন্য কোনো অর্থ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন,
ঙ = শূন্যতা ভাতা যাহা কেবল বিদ্যুৎ বিল উপস্থাপন সাপেক্ষে প্রমাণিত হইলে অনুমোদনযোগ্য হইবে।
(২) গৃহসম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য সম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:–
ক = (খ+গ), যেখানে
ক = মোট ভাড়ামূল্য,
খ = গৃহসম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য সম্পত্তির বার্ষিক মূল্য,
গ = অন্য কোনোভাবে উক্ত সম্পত্তি ব্যবহার হইতে অর্জিত আয় এবং উক্ত আয়বর্ষে উক্ত সম্পত্তি ব্যবহার সূত্রে প্রাপ্ত সেলামী বা প্রিমিয়াম, ফেরতযোগ্য নিরাপত্তা জামানত, অগ্রিম ব্যতীত অন্য যেকোনো অংক বা কোনো সুবিধার অর্থমূল্য, যাহা খ এ উল্লিখিত অংকের অতিরিক্ত। ]
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।