আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ২৯২ - আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আপিল নিষ্পত্তি
১[(১) আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল মামলার উভয় পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদানের পর আপিলটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিলের বিষয়বস্তু, তৎসম্পর্কিত সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের সমর্থনে যথাযথ কারণসমূহ উল্লেখপূর্বক আদেশ প্রদান করিবেন এবং ধারা ৩৩৫ এর উপ-ধারা (৪) এর প্রযোজ্যতা নিশ্চিতপূর্বক সেট-এসাইড (set aside) আদেশ প্রদান করিবেন। ]
(২) কোনো আপিল নিষ্পত্তির প্রাক্কালে আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য তলব করিতে পারিবে অথবা উপকর কমিশনার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে অধিকতর তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে আপিল মামলার কারণে কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণী আদেশে কোনো পরিবর্তন আনীত হয়, অথবা ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণী আদেশ নূতনভাবে করিতে হয়, সেইক্ষেত্রে ২[আপিল ট্রাইব্যুনাল, ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সদস্যদের আয়কর নির্ধারণীতে সেই অনুযায়ী সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে নির্দেশ প্রদানপূর্বক আদেশ জারি করিবে]।
(৪) কোনো আপিল মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিল ট্রাইব্যুনাল তৎকর্তৃক জারীকৃত আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত আদেশটি ৩[আপিলকারী, উপকর কমিশনার এবং কর কমিশনারকে প্রেরণ] করিবেন।
(৫) এই অধ্যায়ে বর্ণিত ৪[অন্যান্য বিধান ক্ষুণ্ণ না করিয়া] আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোনো আপিলের বিষয়ে প্রদত্ত আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(৬) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো করদাতা কর্তৃক আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল আবেদন দাখিল করা হইলে, যে মাসে উহা দাখিল করা হইয়াছে, তৎপরবর্তী ১৮০ (একশত আশি) দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে আপিল ট্রাইব্যুনাল উক্ত আপিলের উপর কোনো আদেশ প্রদানে ব্যর্থ হইলে, আপিলটি অনুমোদিত ৫[ও তদনুযায়ী নিষ্পত্তিকৃত মর্মে গণ্য] হইবে এবং যেইক্ষেত্রে ২ (দুই) সদস্য বিশিষ্ট আপিল ট্রাইব্যুনাল মামলা শুনানি করেন এবং সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দ্বিমত পোষণের কারণে একজন অতিরিক্ত সদস্য নিয়োগ করা হইলে, উক্ত মেয়াদ হইবে যেই মাসে আপিল দাখিল করা হইয়াছে, তৎপরবর্তী ২৪০ (দুইশত চল্লিশ) দিন।
৬[(৭) যেক্ষেত্রে, আপিলকারীর নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপিল ট্রাইবুনাল কর্তৃক আপিল নিষ্পত্তিকালে উপ-ধারা (১) এর বিধান পরিপালন হয় নাই সেইক্ষেত্রে, তিনি এই আইনের ধারা ৩৩০ অনুযায়ী ত্রুটি সংশোধনের আবেদন করিতে পারিবেন। ]
১ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৪৪(ক) ধারাবলে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত।
[(১) আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল মামলার উভয় পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদানের পর আপিলটির ক্ষেত্রে যেইরূপ যথাযথ বিবেচনা করিবে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিবে। ]
২ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৪৪(খ) ধারাবলে উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আনীত উক্ত পরিবর্তন মোতাবেক উপকর কমিশনারকে উক্ত ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সংশ্লিষ্ট কর নির্ধারণী সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করিবে” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিল ট্রাইব্যুনাল, ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সদস্যদের আয়কর নির্ধারণীতে সেই অনুযায়ী সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে নির্দেশ প্রদানপূর্বক আদেশ জারি করিবে” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত।
৩ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৪৪(গ) ধারাবলে উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “আপিলকারীকে এবং কমিশনারকে অবহিত” শব্দগুলির পরিবর্তে “আপিলকারী, উপকর কমিশনার এবং কর কমিশনারকে প্রেরণ” শব্দগুলি ও কমা প্রতিস্থাপিত।
৪ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ১২৩ ধারাবলে উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “ক্ষেত্র ব্যতীত” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যান্য বিধান ক্ষুণ্ণ না করিয়া” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত।
৫ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৪৪(ঘ) ধারাবলে উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “হইয়াছে মর্মে গণ্য করা” শব্দগুলির পরিবর্তে “ও তদনুযায়ী নিষ্পত্তিকৃত মর্মে গণ্য” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত।
৬ অর্থ আইন, ২০২৬ এর ১৪৪(ঙ) ধারাবলে উপ-ধারা (৬) এর পর নূতন উপ-ধারা (৭) সংযোজিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।