আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ১৪২ - উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহের সাধারণ বিধান
(১) ধারা ১১৯ এর ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ও এই অধ্যায়ের অন্যান্য ধারায় ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, এই ১[ অংশের অধীন ] কর কর্তন বা সংগ্রহের ক্ষেত্রে, যাহার নিকট হইতে কর কর্তন বা সংগ্রহ করা হইবে সেই ব্যক্তি রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করিতে ব্যর্থ হইলে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহের হার প্রযোজ্য হার অপেক্ষা ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অধিক হইবে ২[ :
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয় এইরূপ ব্যক্তি বা ধারা ২৬৪ এর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী বোর্ড কর্তৃক রিটার্ন দাখিলের প্রমাণক দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না। ]
(২) ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, এই অংশের অধীন কর কর্তন বা সংগ্রহের ক্ষেত্রে, যাহার নিকট হইতে কর কর্তন বা সংগ্রহ করা হইবে সেই ব্যক্তি চুক্তিমূল্য, বিল, ভাড়া, ফি, চার্জ, রেমুনারেশন, বেতনাদি বা অন্য কোনো অর্থ পরিশোধ তাহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, বাবদ কোনো অর্থ ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে গ্রহণ না করিলে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহের হার প্রযোজ্য হার অপেক্ষা ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অধিক হইবে।
১ অর্থ আইন, ২০২৪ এর ১৪(ঘ) ধারাবলে “অধ্যায়ের অধীন” শব্দগুলির পরিবর্তে “অংশের অধীন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত।
২ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৮৭ ধারাবলে উপ-ধারা (১) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত এবং অতঃপর নূতন শর্তাংশ সংযোজিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।