আয়কর আইন ২০২৩
ধারা ২ দফা ৮০ক - রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ
১[ “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ” অর্থ-
(ক) স্বাভাবিক ব্যক্তি (individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতার ক্ষেত্রে, আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী নভেম্বর মাসের ৩০ (ত্রিশ) তম দিন;
(খ) স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য করদাতার ক্ষেত্রে, আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী নবম মাসের ২[ পনেরোতম দিন অথবা যেইক্ষেত্রে উক্ত পনেরোতম দিন সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিনের পূর্বের তারিখে পড়ে, সেইক্ষেত্রে আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিন ];
(গ) পূর্বে কখনোই রিটার্ন দাখিল করেন নাই এইরূপ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে আয়বর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ৩০ জুন তারিখ;
(ঘ) বিদেশে অবস্থানরত কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে, তাহার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দিন হইতে ৯০ (নব্বই) তম দিন, যদি উক্তরূপ ব্যক্তি-
(অ) উচ্চ শিক্ষার জন্য ছুটিতে অথবা চাকরির জন্য প্রেষণে বা লিয়েনে নিযুক্ত হইয়া বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন; বা
(আ) অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ ভিসা এবং পারমিটধারী হয়ে ৩[বাংলাদেশের] বাহিরে অবস্থান করেন;
(ঙ) কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখের পূর্বে দাখিলকৃত লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে অনিবার্য কারণ বিবেচনায় কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত তারিখ যাহা উপ-দফা (ক), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত দিন হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের বেশি হইবে না;
(চ) যদি উপ-দফা (ক), (খ), (গ), (ঘ) ও (ঙ) এ উল্লিখিত দিন সরকারি ছুটির দিন হয়, তাহা হইলে উক্ত দিনের অব্যবহিত পরবর্তী কর্মদিবস। ]
১ অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ২৯(ট) ধারাবলে নূতন দফা (৮০ক) সন্নিবেশিত।
২ অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩(ক) ধারাবলে উপ-দফা (খ) এ উল্লিখিত “১৫ (পনেরো) তম দিন” শব্দগুলি, সংখ্যা এবং বন্ধনীর পরিবর্তে “পনেরোতম দিন অথবা যেইক্ষেত্রে উক্ত পনেরোতম দিন সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিনের পূর্বের তারিখে পড়ে, সেইক্ষেত্রে আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত।
৩ অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩(খ) ধারাবলে উপ-দফা (ঘ) এর ক্রমিক নং (আ) এ উল্লিখিত “বাংলাদেশে” শব্দের পরিবর্তে “বাংলাদেশের” শব্দ প্রতিস্থাপিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত কোনো কিছু যদি সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশের সহিত সাংঘর্ষিক হয় সেইক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুকৃত আইন, বিধি, প্রজ্ঞাপন ও আদেশই প্রাধান্য পাবে।